দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার মেয়রদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। শীর্ষ পদে তখন বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতারা ছিলেন। সরকার পরে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দেয়। বর্তমানে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় প্রশাসকেরাই দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় নির্বাচন কবে হতে পারে—এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন,
“যত দ্রুত সম্ভব আমরা এগুলোতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করব। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া–এর বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তিনি বলেন, “আগে কী হয়েছে তা দেখব, তারপর কথা বলব।”
অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের মূল্যায়ন প্রয়োজন আছে কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে তারা দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি যতটা খারাপ বলা হয়, ততটা নয়; বরং আগের তুলনায় উন্নতি হয়েছে। অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ধারা রয়েছে এবং ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, “একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সবকিছু এক দিনে স্বাভাবিক হয়ে যায় না। সময় লাগবে।”
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সরকার রাজনৈতিকভাবে আলোচনা করে পরে জানাবে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের অফিস খোলার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।
— প্রবাহ নিউজ