• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জিয়াকে নিয়ে ‘আপত্তিকর মন্তব্য’: জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক বাগেরহাটে আইজিপি’র পৈতৃক বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি: এলাকায় চাঞ্চল্য রিকশা, ভ্যান ও অটো চালক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের উপদেষ্টা হলেন মোঃ ওয়াজিউল্লাহ শেখ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শরীফ উদ্দিন জুয়েলের শুভেচ্ছা কলাপাড়া উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান সমাজসেবক জাকির মৃধা ঢাকা-৮ আসনের সাবেক এমপি মির্জা আব্বাসের উপস্থিতিতে আইডিইবি-তে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন অবশেষে ভারত থেকেই গ্রেপ্তার হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল; আগে অস্বীকার করলেও এখন নিশ্চিত করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ মোসাদের জাল ও ট্রাফিক ক্যামেরা: যেভাবে খামেনিকে হত্যার পথ তৈরি হয় করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে হামলা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: নিহত অন্তত ৯ খামেনির বিদায়ে অনিশ্চিত ইরান: কার হাতে যাবে তেহরানের চাবিকাঠি?

ভয়াবহ ‘সাইলেন্ট স্ট্রোক’ নিয়ে সতর্ক করলেন নিউরোসার্জন

অনলাইন ডেস্ক / ১৮৮ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সাইলেন্ট স্ট্রোক কী? অজান্তেই ভয়াবহ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন না তো

ভয়াবহ ‘সাইলেন্ট স্ট্রোক’ নিয়ে সতর্ক করলেন নিউরোসার্জন

আপনি হয়তো নিয়মিত হাঁটছেন, পরিমিত খাবার খাচ্ছেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। তবুও অজান্তেই মস্তিষ্কে ঘটতে পারে ছোট কিন্তু গুরুতর ক্ষতি—‘সাইলেন্ট স্ট্রোক’। এতে মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা হাত–পা অবশ হওয়ার মতো দৃশ্যমান উপসর্গ দেখা যায় না। ফলে বিষয়টি ধরা পড়ে না। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই নীরব আঘাত স্মৃতিভ্রংশ, মনোযোগের ঘাটতি এমনকি ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউরোসার্জন ডা. ধ্রুব চতুর্বেদী জানান, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এসে অনেক রোগীর এমআরআই রিপোর্টে নীরব স্ট্রোকের চিহ্ন পাওয়া যায়, যদিও তারা আগে বড় কোনো উপসর্গ টের পাননি।

সাইলেন্ট স্ট্রোক কী?

সাধারণ স্ট্রোক হলে হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা আটকে যাওয়া বা শরীরের এক পাশ দুর্বল হয়ে পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। কিন্তু সাইলেন্ট স্ট্রোক বা ‘কোভার্ট ব্রেন ইনজুরি’ এসব কিছুই প্রকাশ করে না। ডা. চতুর্বেদীর ভাষায়, এটি নিঃশব্দে মস্তিষ্কের ক্ষুদ্র অংশে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে কোষের ক্ষতি শুরু হয়, যার প্রভাব ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়।

যেসব পরিবর্তনে সতর্ক হবেন

উপসর্গ না থাকলেও কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন অবহেলা করা উচিত নয়—

  • হালকা স্মৃতিভ্রংশ

  • মনোযোগে ঘাটতি

  • হাঁটার সময় অস্থিরতা

  • শরীরের কোনো অংশে সামান্য অবশ ভাব

  • আচরণ বা মুডে পরিবর্তন

  • চিন্তায় ধীরগতি

এসব লক্ষণ অনেক সময় বয়সজনিত সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া হয়। তবে প্রয়োজন হলে এমআরআই পরীক্ষাই সাইলেন্ট স্ট্রোক শনাক্তের কার্যকর উপায়।

কারা বেশি ঝুঁকিতে

বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, ধূমপানের অভ্যাস বা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ রয়েছে—তাদের নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি।

জীবনযাপনের ভুলেই বাড়ে ঝুঁকি

ডা. চতুর্বেদী সতর্ক করে বলেন, দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসই সাইলেন্ট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়—

  • পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব

  • দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ

  • ব্যায়ামের অভাব

  • অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার

  • ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন

বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিষ্ক সবসময়ই সংকেত দেয়—শুধু তা বোঝার অভ্যাস থাকতে হয়। শরীর স্বাভাবিক মনে হলেও ছোটখাটো পরিবর্তনকে অবহেলা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।

সূত্র: The Indian Express

প্রবাহ নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd