রমজান মাসে সঠিকভাবে সিয়াম সাধনা ও ইবাদত পালনের জন্য শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রস্তুতি জরুরি। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা, ঘুমের সময় পরিবর্তন এবং দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের কারণে শরীরের ছন্দে প্রভাব পড়ে। সুস্থ ও সবল ব্যক্তিরা সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন, কিন্তু ডায়াবেটিস, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে রোজা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
অনেকের অজান্তে ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিস থাকতে পারে। আগে থেকেই নিজের শারীরিক অবস্থা জানা বুদ্ধিমানের কাজ।
আপনার কোনো বড় অসুখ না থাকলেও প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিচের পরীক্ষাগুলো করতে পারেন:
ডায়াবেটিস ও শর্করা পরীক্ষা
খালি পেটে রক্তের শর্করা
তিন মাসের গড় শর্করা (HbA1c)
সিবিসি (CBC)
হিমোগ্লোবিনের মাত্রা
শরীরে সংক্রমণ আছে কি না
লিপিড প্রোফাইল
রক্তে কোলেস্টেরল ও ক্ষতিকর চর্বির মাত্রা
কিডনি ও লিভার টেস্ট
সিরাম ক্রিয়েটিনিন (কিডনি)
এসজিপিটি / এএলটি (লিভার)
থাইরয়েড পরীক্ষা
TSH, থাইরয়েড সমস্যা থাকলে ক্লান্তি বা দুর্বলতা বেশি হতে পারে
ভিটামিন ও পুষ্টি (ঐচ্ছিক কিন্তু প্রয়োজনীয়)
ভিটামিন ডি
ভিটামিন বি১২
ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বা ক্রনিক লিভার ডিজিজ থাকলে অন্তত তিন সপ্তাহ আগে রুটিন পরীক্ষা করুন।
ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে শর্করার গড়, ক্রিয়েটিনিন, লিপিড প্রোফাইল, প্রস্রাবের আমিষ পরীক্ষা জরুরি।
কিডনির রোগীদের জন্য রোজা ঝুঁকিপূর্ণ; ক্রিয়েটিনিন, জিএফআর, ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য, হিমোগ্লোবিন ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিন।
উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদ্রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোজা করা যাবে না।
থাইরয়েডের রোগীরা অন্তত দুই সপ্তাহ আগে টেস্ট করিয়ে ওষুধ সমন্বয় করুন।
১. ডায়াবেটিস ও শর্করা:
খালি পেটে রক্তের শর্করা
HbA1c (৩ মাসের গড়)
২. কিডনি ও লিভার কার্যকারিতা:
সিরাম ক্রিয়েটিনিন
এসজিপিটি/এএলটি
৩. হৃদ্রোগ ও চর্বি পরীক্ষা:
লিপিড প্রোফাইল
৪. সাধারণ শারীরিক অবস্থা:
সিবিসি (হিমোগ্লোবিন ও সংক্রমণ)
TSH (থাইরয়েড)
৫. ভিটামিন ও পুষ্টি (ঐচ্ছিক)
ভিটামিন ডি
ভিটামিন বি১২
পরামর্শ: প্রতি ব্যক্তির, বিশেষ করে ৪০ বছর বয়সের পর, বছরে এক বা দুবার রুটিন টেস্ট করা উচিত।
প্রবাহ নিউজ